নিবন্ধন করুন

Login

Lost Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Login

নিবন্ধন করুন

বিডি রমণী বাঙ্গালী নারীদের এক বিশ্বস্ত অনলাইন কমিউনি। এটি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অবদান রাখতে পারেন। প্রশ্ন করতে বা উত্তর দিতে আপনাকে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করতে Create an account বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী ধাপগুলো পূরণ করুন!

স্পর্শকাতর অঙ্গ লোমমুক্ত করার সময় মেয়েরা মনে রাখবেন যে ৭টি টিপস!

স্পর্শকাতর অঙ্গ লোমমুক্ত করার সময় মেয়েরা মনে রাখবেন যে ৭টি টিপস!

ছেলেদের শরীরের লোম নিয়ে মাথা ব্যথা না থাকলেও মেয়েদের খুব ভালো পরিমাণেই থাকে । বিশেষ করে শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো লোমমুক্ত রাখার ব্যাপারে মেয়েরা খুবই সচেতন । হাত-পা তো আছেই, এছাড়াও আন্ডারআর্ম, বিকিনি লাইন এবং শরীরের যে কোন স্থানে অনাকাঙ্ক্ষিত লোম হতে পারে । আর সেটা পরিষ্কার করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন অনেকেই ।

এই কাজে অনেক নারী বেছে নেন শেভিং পদ্ধতি, কেউ কেউ ব্যবহার করেন হেয়ার রিমুভাল ক্রিম বা লোশন, অনেকে আবার স্পর্শকাতর অঙ্গেও যন্ত্রণাদায়ক ওয়াক্সিং করিয়ে থাকেন । পদ্ধতি যেটাই হোক না কেন, স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো লোমমুক্ত করার সময়ে এই ৭টি টিপস মনে রাখতে হবে অবশ্যই । তাতে স্পর্শকাতর অঙ্গ লোমমুক্ত রাখা সহজ হবে, লোমমুক্ত করার পর জ্বালা পোড়া বা ব্যথা হবে না ।

চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক স্পর্শকাতর অঙ্গ কিভাবে লোমমুক্ত করবেন… 

১) আপনার পদ্ধতি যদি শেভিং হয়ে থাকে, তাহলে উপযুক্ত রেজর ও ভালো শেভিং ফোম বেছে নেয়াটা খুবই জরুরী । যেন তেন রেজর ব্যবহার করবেন না । অনেকে দেখা যায় স্বামীর পুরনো রেজরটাই ব্যবহার করছেন । সেটাও করবেন না । এসব কাজের জন্য আলাদা রেজর রাখুন । এবং অবশ্যই ভালো রেজর । নাহলে ত্বকে ছিলে যাবে ।

২) এয়ার রিমুভাল ক্রিম বা লোশনের ক্ষেত্রে নিজের ত্বকের সাথে মিলিয়ে উপযুক্ত প্রসাধনীটি বেছে নিন । আজকাল প্রত্যেক স্কিন টাইপের জন্যই ভিন্ন ভিন্ন ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায় । বেশী শুষ্ক ত্বক বা বেশী ব্যথা পাওয়ার প্রবনতা থাকলে বাড়তি ময়েসচারাইজার যুক্ত ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করবেন । এতে ব্যথা কম পাবেন ।

৩) যারা ব্যথা সহ্য করতে পারেন না, তাঁদের জন্য ওয়াক্সিং না করাই ভালো । কেননা তাতে প্রচণ্ড ব্যথা হয় । বিশেষ করে স্পর্শকাতর অঙ্গে ব্যথা ও ত্বকের জ্বালাপোড়াটা অনেক সময় থাকে । তাছাড়া ঘন ঘন স্পর্শকাতর অঙ্গে ওয়াক্স করলে র‍্যাশ হবার প্রবনতা অনেক বেড়ে যায় ।

৪) যে পদ্ধতিই ব্যবহার করুন না কেন, তার অন্তত ঘণ্টা খানেক আগে কোন কোমল সাবান বা বডি ওয়াশ দিয়ে স্থানটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিন । ও তোয়ালে দিয়ে মুছে শুকিয়ে নিন । এতে লোম পরিষ্কার করতে সুবিধা হবে । খুব ভালো হয় ডাভ বা এই ধরণের খুবই কোমল ও ময়েশ্চারাইজার যুক্ত পণ্য ব্যবহার করলে । যাদের গোপন অঙ্গের লোম বেশী মোটা বা শক্ত, তাঁরা পরিষ্কার করার সময় চুলের কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন । এতে সহজে শেভ করতে পারবেন, হেয়ার রিমুভালও সহজে হবে।

৫) লোম পরিষ্কার শেষ ? এবার শুরু হবে বাড়তি যত্ন । পরিষ্কার করার পর উক্ত স্থানে ভালো করে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন । একু ম্যাসাজ করে করে লাগান । এটা ত্বকের ক্ষতি প্রতিরোধ করবে এবং ত্বকে যে কোন রকম জ্বালাপোড়া কম করবে । গ্লিসারিনের সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে লাগাতে পারেন ।

৬) লোম পরিষ্কারের পর বেশি জ্বালাপোড়া করলে পাতলা কাপড়ে বরফ বেঁধে উক্ত স্থানে ম্যাসাজ করুন । এতে আরাম মিলবে আর অনাকাঙ্ক্ষিত র‍্যাশ হবে না ।

৭) স্পর্শ কাতর অঙ্গের লোম পরিষ্কার করার পর ( বিশেষ করে বিকিনি এরিয়া বা বগল ) বেশ অনেকটা সময় টাইট পোশাক পরবেন না। নরম সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। নাহলে র‍্যাশ হতে পারে ।

About আহনাফ আবিদVerifiedবুদ্ধিমান

Leave a reply